বাস্তব ব্যবসার কাজের ধরন থেকে তৈরি ৬টি রেডি সিস্টেম। দেখুন →

আপনার বিজনেসের গ্রোথ না আসা পর্যন্তআমরা থামছি না।

আপনার বিজনেস হয়তো এখন আর দশটা বিজনেসের মতোই প্রতিদিনের চাপে ধুঁকছে। সেলস, কাস্টমার সার্ভিস, অর্ডার আর মার্কেটিংয়ে প্রপার অটোমেশন এনে আমরা আপনার সময়টা ফ্রি করি, যাতে রিয়েল চেঞ্জটা নিজের চোখে দেখতে পান।

আর দশটা বিজনেসের মতোআপনার ব্যবসাও কি ভেতরে ভেতরে ধুঁকছে?

বাইরে থেকে মনে হয় ব্যবসা চলছে: অর্ডার আসছে, পার্সেল যাচ্ছে, টিম কাজ করছে। কিন্তু সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আপনি নিজেই ফায়ারফাইটার। প্রতিদিনের কাজ সামলাতেই দিন শেষ, ব্যবসা বড় করার চিন্তা করবেন কখন? প্রপার অটোমেশন এলে ছবিটা এভাবে বদলে যায়।

মেসেজের চাপে কাস্টমার হারানো

পিক আওয়ারে বা রাতে ফেসবুক আর হোয়াটসঅ্যাপে রিপ্লাই দেরি হয়, রেডি কাস্টমার অন্য পেইজে চলে যায়।

কথা

কোনো কাস্টমার আর অপেক্ষা করে না

দিনে-রাতে কাস্টমার সঙ্গে সঙ্গে বাংলায় উত্তর পায়, লাইভ স্টক দেখে অর্ডার হয়, জটিল চ্যাট নোটসহ টিমের কাছে যায়।

অর্ডার আর কুরিয়ারের টাকার গরমিল

ডেলিভারি, রিটার্ন আর কুরিয়ারের বিল হাতে মেলাতে গিয়ে প্রতি মাসে চুপচাপ টাকা লিক হয়।

চালান

প্রতিটা টাকার হিসাব মেলে

কনফার্মেশন, কুরিয়ার বুকিং আর রিটার্ন চলে এক তালিকায়। প্রতিটা পেমেন্ট পার্সেলের সঙ্গে মেলে, কম এলে সেদিনই জানতে পারেন।

স্টক আর বাকির অন্ধ হিসাব

কোন স্টক শেষের দিকে বা কার কাছে কত বাকি, সময়মতো চোখে পড়ে না। অর্ডার হাতছাড়া হয়।

খাতা

স্টক আর বাকি চোখের সামনে

স্টক কমলে বা বাকি জমলে সিস্টেম নিজেই ধরে, প্রমাণসহ আপনার অনুমোদন চায়।

সব কিছু আপনার জন্য অপেক্ষা করে

কে কী করল জানতে দশবার ফোন দিতে হয়। একজন ছুটিতে গেলে কাজ থমকে যায়।

অপস

আপনি না থাকলেও কাজ চলে

রুটিন কাজ সিস্টেম আপনার নিয়মে চালায়। কে কী করল, কোথায় আটকে আছে, প্রতিদিনের রিপোর্টে এক নজরে দেখেন।

একজন সিইও হিসেবেআপনার সময়ের দাম সবচেয়ে বেশি।

আপনার কাজ কি কুরিয়ারের বিল মেলানো আর কর্মীদের পেছনে ছোটা? নাকি নতুন প্রোডাক্ট আনা আর ব্যবসা বড় করার প্ল্যান করা? কোম্পানিতে আপনার এক ঘণ্টার দাম সবচেয়ে বেশি। সেই সময়টাকেই আমরা সবথেকে বেশি কেয়ার করি।

সকালে এক নজরের ব্রিফিং

দশজনকে ফোন না দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপেই দেখে নিন গতকালের অর্ডার, ক্যাশ, রিটার্ন আর আজ কোথায় নজর দরকার।

দিনভর শুধু জরুরি সিদ্ধান্ত

নিয়মিত কাজ সিস্টেম আপনার নিয়মেই চালায়। টাকার গরমিল বা বড় সিদ্ধান্তে প্রমাণসহ আপনার অনুমোদন চায়।

রাতে নিশ্চিন্ত ঘুম

রাতে মেসেজ এলে কে উত্তর দেবে, দিনশেষের ক্যাশ মিলল কি না, সেই দুশ্চিন্তা ছাড়াই ঘুমান।

অপারেশন গোছালেগ্রোথ বাড়তে শুরু করে।

ভেতরের অপারেশন অগোছালো থাকলে বেশি অর্ডার মানেই বেশি ঝামেলা। অর্ডার, ডেলিভারি আর হিসাবের কাজ অটোমেট হলে একই টিম অনেক বেশি কাজ শেষ করে।

২০০–৫০০%পর্যন্ত বেশি কাজ, একই টিম দিয়ে

একই টিমে অনেক বেশি অর্ডার

রুটিন চ্যাট, এন্ট্রি আর বিল মেলানো সিস্টেম নেয়। অর্ডার বাড়লেই নতুন লোক নিতে হয় না।

নীরবে টাকা লিক বন্ধ

বারবার রিটার্ন আর কুরিয়ারের কম পেমেন্ট ধরা পড়ে, আপনার লাভের টাকা ঘরেই থাকে।

তথ্য দেখে সিদ্ধান্ত

কোন প্রোডাক্ট চলছে, কোন স্টক কমছে, কোন পেমেন্ট বাকি, পরিষ্কার হিসাব হাতের কাছে।

নতুন কিছু করার সময়

প্রতিদিনের জট থেকে মুক্ত হয়ে নতুন প্রোডাক্ট আর নতুন মার্কেটে মন দিতে পারেন।

সিস্টেম বানিয়েই শেষ নয়।ফলাফল না আসা পর্যন্ত আমরা পাশে আছি।

সিস্টেম বানানো সহজ। আসল কাজ হলো সেটা আপনার রিয়েল ডেটায় প্রতিদিন ঝামেলা ছাড়া চলছে কি না নিশ্চিত করা। তাই রিয়েল চেঞ্জ না আসা পর্যন্ত আমাদের কাজ চলতেই থাকে।

০১

অডিট · ১–২ সপ্তাহ

কোথায় সময় আর টাকা নষ্ট হচ্ছে খুঁজে বের করি, আর শুরুর অবস্থার হিসাব রাখি।

০২

তৈরি · ৪–৮ সপ্তাহ

ঠিক করা পরিধিতে আপনার পরিচিত টুলের সঙ্গে সিস্টেম যুক্ত করি: হোয়াটসঅ্যাপ, এক্সেল, পাঠাও, স্টেডফাস্ট, বিকাশ বা আপনার ইআরপি।

০৩

নিরাপদ শুরু

টিমকে ট্রেনিং দিই, আর আস্থা না আসা পর্যন্ত পুরোনো পদ্ধতির পাশাপাশি চালাই।

০৪

দেখভাল কেয়ার

প্রতি মাসে নজর রাখি, ঠিক করি, আরও ভালো করি। সঙ্গে মাসিক কাজের রিপোর্ট।

মাসিক কাজের রিপোর্টে সিস্টেম কতগুলো চ্যাট সামলাল, কত পার্সেলের হিসাব মেলাল, কত রিপোর্ট বানাল, সব গুনে দেখায়, আর কর্মীর ঘণ্টার খরচের সঙ্গে মিলিয়ে শুরুর অবস্থার সঙ্গে তুলনা করে। আনুমানিক হিসাব হলে সেটা স্পষ্ট লেখা থাকে।

মুখের কথা নয়,বাস্তবে যা চলছে।

বাংলাদেশের বাস্তব ব্যবসার সমস্যা থেকেই আমাদের সিস্টেমগুলো তৈরি।

সমবায় অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান

আনু ফাউন্ডেশন

পাঁচ জোনের খাতা-কলমের হিসাব এখন এক সিস্টেমে। মাঠকর্মীরা মোবাইলেই কালেকশন এন্ট্রি দেন। অফিসের প্রায় ৯০% আর মাঠের ৫০–৭০% হাতের কাজ এখন সিস্টেম করে (আমাদের টিমের হিসাবে আনুমানিক)।

বীজ উৎপাদক ও পরিবেশক · ফরিদপুর

ইনসাফ সিডস লিমিটেড

খোলা ও প্যাকেটজাত বীজের স্টক, বাকি, মাঠের বিক্রি আর কমিশনের হিসাব এক ইআরপিতে, সঙ্গে প্রতিদিনের ব্রিফিং।

ক্লায়েন্টের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে

একটি ডিটুসি ফ্যাশন ব্র্যান্ড

প্রথম মেসেজ থেকে অর্ডার, কুরিয়ার, রিটার্ন আর ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা মেলানো পর্যন্ত কমার্স সিস্টেম চলছে।

আপনার মনে যে প্রশ্নগুলো ঘুরছে,তার সোজাসাপ্টা উত্তর।

নতুন সিস্টেমে যাওয়ার আগে মালিক হিসেবে সন্দেহ থাকাটাই স্বাভাবিক।

বর্তমান টিমকে কি বাদ দিতে হবে?

না। রাতের শিফট, বারবার আসা প্রশ্ন আর বিল মেলানোর কাজ সিস্টেম সামলায়, যাতে আপনার লোকজন জটিল সমস্যা আর বিক্রিতে মন দিতে পারে।

টিম তো টেকনিক্যাল না, চালাতে পারবে?

তারা যে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার বা শিটে কাজ করে, সিস্টেম সেখানেই কাজ করে। আমরা ট্রেনিং দিই, আর শুরুতে পুরোনো পদ্ধতির পাশাপাশি চালাই।

AI ভুল করলে কী হবে?

শুরুতে সিস্টেম খসড়া বানায়, টিম দেখে নেয়। টাকার হিসাব বা বড় সিদ্ধান্তে সবসময় মানুষের অনুমোদন লাগে, আর প্রতিটা কাজের রেকর্ড থাকে।

খরচ কি অনেক? কাজ না হলে?

শুরুতে অডিট করে দেখাই কোথায় টাকা আর সময় নষ্ট হচ্ছে, আর কী খরচে কী তৈরি হবে। চালুর পর মাসিক রিপোর্টে নিজেই দেখবেন সিস্টেম কত কাজ করছে। ডেটার মালিকানা আপনারই।

আপনার ব্যবসার পরের ধাপটাআজই শুরু হোক।

ব্যবসাটা আপনি তিলে তিলে দাঁড় করিয়েছেন। প্রতিদিনের চাপে সেটাকে আর ধুঁকতে দেবেন না। ৩০ মিনিটের একটা কলে বলুন কোন কাজে আপনার সবচেয়ে বেশি সময় যায়। আমরা দেখাব কোনটা আগে অটোমেট করলে সময়টা ফিরে পাবেন। আপনার বিজনেসের গ্রোথ না আসা পর্যন্ত আমরা থামছি না।

  • ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কল করবআপনার সুবিধাজনক সময়ে
  • খোলামেলা আলোচনাএকসাথে আপনার প্রয়োজন বুঝে নেব
  • সিস্টেম তৈরি ৪–৮ সপ্তাহেনির্দিষ্ট কাজের পরিধি, ট্রেনিং আর চালুর সময় সহায়তা

আমরাই আপনাকে কল করব

আপনার তথ্য দিন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমরা কল করব।

এই তথ্য শুধু আপনার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করা হবে।